tanoreordinaryit.com https://www.tanoreordinaryit.com/2023/08/blog-post_7.html

উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহজ উপায় নিয়ে আপনার করণীয়.

যাদের উচ্চ রক্তচাপ রয়েছে তাদের জন্য পটাশিয়াম অন্যতম জরুরি প্রোটিন তাই কলা এলকোডিয়াম টমেটো রাগালো যেমন মাছ টুনা বাদাম দইয়ের মত খাবার নিত্য খাদ্য তালিকায় রাখুন উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহজ উপায় নিয়ে আপনার করণীয় ধূমপান মদ্যপান অবশ্যই কমিয়ে ফেলুন কারণ ধূমপান আপনার রক্তচাপকে আরো বাড়িয়ে দেয়,উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহজ উপায় নিয়ে আপনার করণীয় বাংলাদেশে প্রায় অনেক লোক হৃদরোগে ভুগছে,
উচ্চ রক্তচাপ প্রায় একটি স্থায়ী রোগ হিসেবে বিবেচিত। এর জন্য চিকিৎসা ও প্রতিরোধ দুটোই জরুরি। তা না হলে বিভিন্ন জটিলতা, এমনকি হঠাৎ করে মৃত্যুরও ঝুঁকি থাকে।
পোস্ট সূচিপত্র:উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহজ উপায় নিয়ে আপনার করণীয়.
  • ভূমিকা
  • স্বাস্থ্যকর খাদ্যভাস্য
  • নিয়মিত ব্যায়াম করা
  • ধূমপান বর্জন
  • উচ্চ রক্তচাপের প্রধান কারণ
  • নিম্ন রক্তচাপে ঘরোয়া সমাধান
  • উচ্চ রক্তচাপের সঙ্গে লবণের সম্পর্ক
  • উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহজ উপায় নিয়ে আপনার করণীয়
  • রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের রাখতে করণীয়
  • উচ্চ রক্তচাপের করণীয় খাবার
  • উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহজ উপায় নিয়ে আপনার করণীয় শেষ কথা
বংশগত উচ্চ রক্তচাপে সামাল দিতে খাদ্য ভারসাম্য দিকে নজর দিন সব সময় উচ্চ রক্তচাপ নিয়ে সতর্ক করা হয়
ভূমিকা:
বর্তমানে অস্বাস্থ্যকর জীবন যাপনের কারণে অনেকেই উচ্চ রক্তচাপে ভোগে থাকে, এটি স্বাস্থ্যকর উপায়ে খুবই মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে অনেক সময় বিপদজনক সীমারেখা ও পার হতে পারে, আজ ওয়ার্ড হাইপারটেনশন ডে প্রতিবছরে ১৭ই মে বিশ্বব্যাপী পালিত হয় এই দিবসটি, হাইপার টেনশনের রোগীদের সচেতনতা বাড়াতে এই দিবসটি পালন করে এই বছরের মূলত আলো আপনার ডিপি সঠিকভাবে পরিমাণ করুন,
স্বাস্থ্যকর খাদ্যভাস্য:
প্রতিদিনের খাবারে লবণের পরিমাণ কমাতে হবে কারণ লবণের কারণে আমাদের শরীরের রায়তন্ত্র গুলো অনেক দুর্বল হয়ে পড়ে এর থেকে আমাদের অনেক রোগের সৃষ্টি হয়. এবং প্রচুর পরিমাণে তাজা ফল ও শাকসবজি খাওয়ার অভ্যাস করতে হবে. লবণে থাকে সোডিয়াম নামক মিনারেল তা রক্তচাপ বাড়িয়ে দেয়, প্রতিদিনের খাবারে সোডিয়াম এর পরিমাণ 1.5 গ্রামের মধ্যে সীমিত রাখবেন,

লবণের পরিমাণ হিসাব করলে দৈনিক আধা চা চামচ থেকে পুনে এক চামচ কম পরিমাণে লবণ খেয়ে সবচেয়ে ভালো, আমাদের পাতে লবণ খাওয়ার অনেকেরই অভ্যাস আছে, কাচা লবণ খাওয়ার ফলে আমাদের শরীরের রক্তচাপটি আরো অধিক আকারে বৃদ্ধি পায়. কম চর্বিও বেশি ফাইবারযুক্ত খাবার রক্তচাপ কমাতে সহযোগিতা করে, এমন খাবারের মধ্যে রয়েছে সবুজ শাক সবজি ফলমূল ডাল লাল টমেটো লাল চাল ও ইত্যাদি,
নিয়মিত ব্যায়াম করা:
নিয়মিত ব্যায়াম ফলে আমাদের শরীরের বাড়তি ওজন কমাতে সহযোগিতা করে, এবং নিয়মিত ব্যায়াম করলে হাট ও রক্ত নালী সুস্থ থাকে, শরীর চর্চা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ রাখতে সাহায্য করে এছাড়া স্বাস্থ্যকর ওয়েট ও ব্যায়ামের মাধ্যমে শরীর উন্নত ওজন কার্যকর ভাবে কমিয়ে ফেলা সম্ভব. তাই আমাদের নিয়মিত ব্যায়াম করা উচিত এবং হাঁটা চলার মাঝে আমাদের শরীরের স্রায়তন্ত্র গুলো অচল হয়ে পড়ে তাতে রক্তচাপ কমে যায়,

নিয়মিত ব্যায়ামের ফলে একজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি প্রতি সপ্তাহে কমপক্ষে ১৫০ মিনিট বা আধা ঘন্টা মাঝারি ধরনের ব্যায়াম করা উচিত, এ ধরনের মধ্যে রয়েছে সাইকেল চালানো দুটো হাটা খেলাধুলা করা একটু দৌড়ানো কৃষি জমিতে কাজ করা এগুলো শারীরিক পরিশ্রমের মাধ্যমে শরীরের রক্তচাপ কমাতে সহযোগিতা করে.
ধূমপান বর্জন:
ধূমপান করলে শরীরের রক্তনালীগুলো সরু হয়ে যায়। একজন উচ্চ রক্তচাপের রোগী যদি নিয়মিত ধূমপান করেন, তার রক্তনালীগুলো অনেক দ্রুত সরু হয়ে যেতে থাকে, যা পরবর্তীতে হার্ট ও ফুসফুসের বিভিন্ন রোগ হওয়ার সম্ভাবনা নাটকীয়ভাবে বাড়িয়ে দেয়। ধূমপান হার্ট অ্যাটাক ও ব্রেইন স্ট্রোকের ঝুঁকিও অনেকখানি বাড়িয়ে দেয়।কেউ সপ্তাহে ১৪ ইউনিটের বেশি মদ পান করলে তা সপ্তাহে তিন দিন বা এর বেশি সময়ে ভাগ করে পান করতে হবে। কোনভাবেই একবারে অনেক বেশি পরিমাণে পান করা উচিৎ নয়।
নিয়মিত মদ্যপান করলে পুরুষ ও মহিলা উভয়ের ক্ষেত্রেই সপ্তাহে ১৪ ইউনিটের বেশি মদ পান না করার উপদেশ দেওয়া হয়।
উচ্চ রক্তচাপের প্রধান কারণ:
উচ্চ রক্তচাপের ফলে কোন উপসর্গ থাকে না, বয়সের সাথে সাথে বাড়ে ক্লান্তি হওয়ার সম্ভাবনা. তাই এই রোগ হওয়ার কারণগুলো জানা থাকলে আগেভাগে সাবধান হয়ে যায় কারণ রক্তচাপ স্বাভাবিক না থাকলে আর অবহেলা করলে মারাত্মক বিপদ ডেকে আনতে পারেন, কারণ উচ্চ রক্তচাপের ফলে আমাদের ব্লাড প্রেসার হাই হয়েছে এবং এই ব্লাড প্রেসার হাইওয়ে যাওয়ার ফলে আমাদের ব্রেনে বা হাটে ইফেক্ট করে,
রক্তনালী শুরু হয়ে গেলে কিংবা এর উৎপন্ন নষ্ট হয়ে গেলে সেই নক্তরালির ভিতর দিয়ে প্রবাহিত রক্ত স্বাভাবিক তুলনায় বেশি গতিতে প্রবাহিত হতে শুরু করে এতে রক্তনালীর ক্ষতিগ্রস্ত হয়, বাড়ে রক্তচাপ টক্স ডিমোশনাল বা প্রিটিভাদ্র ঝুঁকি, ইত্যাদি বিপদজনক বা বিপদ ডেকে আনে তো চাপের প্রধান কারণ হলো অস্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রা,
উচ্চ রক্তচাপ বাড়ার প্রধানত কারণগুলো হচ্ছে আমরা আমাদের খাদ্য তালিকায় গুলো ঠিকভাবে পূরণ করতে পারেনি উচ্চ রক্তচাপ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য যে খাদ্যগুলো কে আমাদের এড়িয়ে চলা উচিত বা দরকার সেসব খাদ্যগুলোকে আমরা বেশি গ্রহণ করে থাকি এবং তারপরে আমাদের শরীরে উচ্চ রক্তচাপ বেড়ে যায়
রক্তচাপ থেকে বাঁচতে হলে আমাদের রোগীদের দৈনন্দিন খাদ্যসম্ম ্য আলোচনা করে দেখছি সিংহভাগে প্রচুর পরিমাণে লবণ পান করে কিন্তু তারা নিজেরাও সেটা বোঝেনা মানুষ মনে করে বাড়িতে কাঁচা লবণ খাওয়ায় শুধু ক্ষতিকর নয় তবে পরোক্ষভাবে কতটা লবণ পেতে যাচ্ছে সেদিকে নজর রাখতে হবে উচ্চ রক্তচাপ কমানোর মূল লক্ষ্য হচ্ছে লবণ কারণ লবণে সোডিয়াম থাকে আর সোডিয়ামের ফলে আমাদের বৃদ্ধি পায়,
নিম্ন রক্তচাপে ঘরোয়া সমাধান:
সব সময় উচ্চ রক্তচাপ নিয়ে সতর্ক করা হয় তবে নিম্ন রক্তচাপ ও কম ক্ষতিকর নয় হাই প্রেসারেরন বা নিম্ন রক্তচাপ হলো এমন একটি শারীরিক সমস্যার জন্য মানুষের অনেক বড় বড় ক্ষতি হতে পারে যেখানে ধর্মনীতিতে রক্তচাপের স্বাভাবিকের তুলনায় কম কমে যায় আর এই অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য রয়েছে প্রাকৃতিক উৎপাদন, উচ্চ রক্তচাপের আক্রান্ত হওয়া অন্যতম কারণ হলো অতিরিক্ত লবণ খাওয়া খাবার সংকলন করতে সুস্বাদু করতে লবণ ব্যবহার হয় অর্থাৎ লবণ সব খাবারেই আছে এমনকি স্বাস্থ্যকর খাবারগুলোতেও আছে,
আমাদের রোগীদের দৈনিক খাদ্য সম্য পর্যালোচনা করে দেখছি সিংহভাগই প্রচুর লবণ খাওয়ায় হয় কিন্তু তারা নিজেও সেটা বুঝবে না মানুষ মনে করে বাড়িটি কাঁচা লবণ খাওয়ায় শুধু ক্ষতিকর না তবে পরোক্ষভাবে কতটা লবণ পেতে যাচ্ছে সেদিকে নজর দিতে হবে, যুক্তরাজ্যের প্যারসিবল এর ফিনিশদের ডক্টর মার্কস ডেইলি বলেন যে কোন স্থানে ঘটলে পর শুকিয়ে কাঁটা রক্তচাপ বাড়ে শারীরিক নড়াচড়া না থাকলে বিদ্রোতন্ত্র ও রক্ত লালির সভ্যতা কমে যায়,
উচ্চ রক্তচাপের সঙ্গে লবণের সম্পর্ক:
উচ্চ রক্তচাপের সঙ্গে আদা কাঁচা কলা নয় বরং লবণের সাথে মধুর সম্পর্ক রয়েছে, উচ্চ রক্তচাপ যাদের আছে সম্ভাব্য তাদের মধ্যে সকলেই শুনছেন লবণ কম খাওয়ায় উপদেশ কারণ লবণ কম খেলে আমাদের শরীর সুস্থ থাকে তাই আমরা লবণকে বর্জন করব শুধু তাই না শুধু তাই নয় উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা যাতে না হয় সেজন্য লবণ কম খাওয়া ভালো

ভারতের ভারতের হাসপাতালের ইন্টারনেট মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার রাজিব গুপ্ত স্বাস্থ্য বিষয়ক একটি প্রতিবেদন বলেন লবণ আর উচ্চ রক্তচাপের মধ্যকার সম্পর্ক জানতে হবে আগে বুঝতে হবে লবণ কিভাবে শরীরের খারাপ প্রভাব ফেলে
চিকিৎসা করে বলেন রক্তনালীতে ত্বরণের তাপমাত্রা বেশি হলে সেগুলোর উপর বাড়তি ধাক্কা দেয় সে সকল সমালো চনা দেখা দেয়. বিস্তারিত
উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহজ উপায় নিয়ে আপনার করণীয়:
উচ্চ রক্তচাপের ফলে হৃদরোগ ও স্টক জড়িত অনেক অনেক সমস্যায় ভুক্তভোগী হয়ে থাকেন এখনকার সময় উচ্চ-রক্ত সবাই হৃদরোগ ১ নাম্বার ঘাতক ব্যাধি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে প্রতি বছরে এই রোগে প্রায় এক কোটিরও বেশি লোক মারা যায় তাদের অর্ধেক বয়সী লোক হচ্ছে 15 থেকে 69 বয়সে হয়ে থাকেন এটা উন্নত মারাত্মক ব্যাধি হিসেবে সম্মতি করা হয়েছে.

হৃদরোগের প্রধান কারণ হলো উচ্চ রক্তচাপ সাধারণত উচ্চ রক্তচাপ হয়ে থাকে ১৪০ মাইনাস ৯০ মার্কিন বা এর বেশি হলে উচ্চ রক্তচাপের অন্যতম হিসেবে গণ্য করা হয় বিশ্বের ১৫০ কোটি মানুষ বা এরও বেশি মানুষ উচ্চ রক্তচাপে ভোগে থাকেন. বাংলাদেশ ও প্রায় অপপ্ত বয়সে জনগোষ্ঠী ২১ শতাংশ উচ্চ রক্তচাপে ভোগে থাকেন. উচ্চ রক্তচাপ সাধারণত মানসিক টেনশন বা মদ্যপানে হয়ে থাকে,
রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের রাখতে করণীয়:
রক্তচাপ একজন মানুষের সত্যগত অবস্থা সম্পর্কে অনেক কিছু বলে দেয় দিতে পারে, যুক্তরাষ্ট্রের পালোমা হেল থ এর সনদ সংস্কৃতি নার্স জুড়ে ওকার ইট দিস বলেন রক্তলালির ভেতর দিয়ে প্রবাহিত হওয়া এর দেয়ালে রক্ত কতটুকু চাপ প্রয়োগ করছে সেটা হল রক্তচাপ. তবে রক্তলালী কতটুকু স্বাস্থত্ববান বা শুরু হয়ে গেছে কিনা সেটাই উপরে রক্তচাপ নির্ভরশীল করে.

আর যে অঙ্গগুলো সেই রক্ত গ্রহণ করছে সেগুলোর সুস্থতা ও রক্তচাপের উপর স্বাভাবিক আছে কিনা তা পরীক্ষা করা. তিনি আরো বলেন রক্তচাপ মাপতে দুইটি পরিমাণ জানতে হয় সিমেটিক্স ব্লাড প্রেসার হলো সেই চাপটা হৃদযন্ত রক্ত করার সময় সৃষ্টি হয় সিম টনিক ব্লাড প্রেসার ৯০ থেকে ১২০ এর মধ্যে থাকলে তার স্বাভাবিক আর ডায়াগনস্ট ব্লাড প্রেসার থাকতে হবে ৬০ থেকে আসে এর মধ্যে,

যে বিষয়গুলোর কারণে রক্তচাপ বাড়ছে সেগুলোকে দৈনন্দিন জীবনযাত্রা থেকে কমিয়ে ফেলাই রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের মূলমন্ত্র মানসিক চাপের মধ্যে থাকলে রক্তচাপ বাড়বে। শারীরিক, মানসিক, আবেগ যেকোনো দিক থেকে মানুষ যখন চাপে থাকে তখন ‘অ্যাড্রেনাল’ গ্রন্থিগুলো নিঃসরণ করে কর্টিসল হরমোন, যা রক্তনালীর স্থিতিস্থাপকতা কমায়। দিনের ব্যস্ততা কমাতে হবে, মানসিক অবস্থার দিকে যত্নবান হতে হবে। তবেই কমবে ‘কর্টিসল’, নিয়ন্ত্রণে থাকবে রক্তচাপ,
উচ্চ রক্তচাপের করণীয় খাবার:
উচ্চ রক্তচাপ রোগীদের প্রধানত অনেক প্রকারের খাবার বেছে বা নিয়ম করে খেতে হয় কারণ তাদের খাবারগুলো সাধারণত একটু অন্যরকম হয়ে থাকে এবং উচ্চ রক্তচাপ বা হৃদরোগ রোগীদের পটাশিয়াম যুক্ত জাতীয় খাবার পরিমান মত খেতে হয় উচ্চ রক্তচাপ রোগীদের ক্ষেত্রে সাধারণত ডাবের পানি অনেক কার্যকরী বলে গণ্য করা হয়, এবং উচ্চ রক্তচাপ রোগীদের ক্ষেত্রে কলা টমেটো কিছু শাক-সবজি কাজুবাদাম ইত্যাদি উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে,

উচ্চ রক্তচাপ রোগীদের ক্ষেত্রে খাদ্য সম্মত তালিকায় পরিবর্তন আনতে হবে ছোট কিছু পরিবর্তনের ফলে আপনার উচ্চ রক্তচাপ থেকে নেতিবাচক কিছু প্রভাব ফেলতে পারে, উচ্চ রক্তচাপ রোগীদের ক্ষেত্রে প্রতিনিয়ত তাজা শাকসবজি ফলমূল খেতে হবে যেমন লেবু জাম্বুরা আমলকি কমলা ডালিম মাল্টা কলা নাশপাতি পেতে ইত্যাদি খাবার খেতে হবে,
উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহজ উপায় নিয়ে আপনার করণীয় শেষ কথা:
উচ্চ রক্তচাপ রোগীদের ক্ষেত্রে আমাদের এ পোস্টে খুব ভালোভাবে ব্যাখ্যা করা রয়েছে আপনারা আমাদের এই পোস্টটা পড়লে উচ্চ রক্তচাপ সম্পর্কে ভালোভাবে বিস্তারিত জানতে পারবেন এবং উত্তর রক্তচাপ সাধারণত হৃদরোগের প্রভাব ফেলে এবং এতে করে অনেক মারাত্মক ব্যাধি তৈরি হয়, প্রধানত উচ্চ রক্তচাপের ফলে সারাদেশে অনেক লোক অকালে প্রাণ হারায় থাকে,

উচ্চ রক্তচাপের কারণে সারাদেশে পায় এক লাখ লাখ মানুষ অকালে মৃত্যুবরণ করে, এবং উচ্চ রক্তচাপ ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে কিছু খাবার ও নীতিমালা রয়েছে সেই নীতিমালা গুলো ঠিকমতো মেনে চললে এই মরণব্যাধি থেকে মুক্তি পাবেন এবং সে সম্পর্কে আমাদের পোস্টে ভালোভাবে ব্যাখ্যা করা রয়েছে যদি আমাদের এ পোস্ট পড়ে আপনার উপকৃত হয়ে থাকেন তাহলে আমাদের এই সম্পর্কে আপনার বন্ধুদের বলবেন এবং আমাদের ওয়েবসাইট টা নিয়মিত ভিজিট করবেন,

অন্যদের সাথে শেয়ার করুন

0 Comments

দয়া করে নীতিমালা মেনে মন্তব্য করুন ??

নটিফিকেশন ও নোটিশ এরিয়া