tanoreordinaryit.com https://www.tanoreordinaryit.com/2023/08/blog-post_5.html

ডায়াবেটিস কমানোর প্রাকৃতিক উপায় সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা

আজকে আমরা প্রাকৃতিক উপায়ে ডায়াবেটিস কমানোর সম্পর্কে আলোচনা করব যাদের ডায়াবেটিকস আছে তাদের জন্য দারচিনি খুবই উপকারিতা কারণ এটি ভগ্নাংশে ইন্সুরেন্স উৎপাদন এর প্রক্রিয়া কে উদ্দীপ্ত করে এবং এটি রক্তের সুগার রিভারেন কমায় দারচিনির গুড়া চার জল বা অন্যান্য মিশিয়ে পান করুন এলোভেরা জলের হাইড্রোলাইজার নামক শক্তিশালী উৎপাদন থাকে যা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে,
ডায়াবেটিস কমানোর প্রাকৃতিক উপায় সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা


ডায়াবেটিস একটি ঘাতকব্যাধী। এই রোগকে অবহেলা করার কোনো সুযোগ নেই। এটি নিয়ন্ত্রণে শুধু মেডিসিন নয়, বরং কিছু প্রাকৃতিক উপায়ও মেনে চলার চেষ্টা করা উচিত। তবেই ডায়াবেটিস বশে থাকবে।

পোস্ট সূচিপত্র:ডায়াবেটিস কমানোর প্রাকৃতিক উপায় সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা


ভূমিকা: 

বর্তমানে দিনে দিনে ডায়াবেটিস একটি মরণব্যাধি হিসেবে পরিচিত পেয়েছে সারা বিশ্বের মানুষ এই ব্যাধিটাকে নিয়ে অনেক দুশ্চিন্তা করে তবে আমাদের দেশের বর্তমান ডায়াবেটিস রোগীর সংখ্যা অনেক বেশি হারে বৃদ্ধি পেয়ে বেড়ে গেছে তাই ডায়াবেটিস শব্দটি সবার কাছে অতি পরিচিত, আপনারা একটু খেয়াল করে দেখবেন এমন কোন পরিবার নেই যে যাদের ডায়াবেটিস নেই এই তাই এটি প্রশ্ন শব্দ নেই ডায়াবেটিস কমানোর উপায় আছে,

ডায়াবেটিস কি:

উইকিপিডিয়ার তথ্যমতে বহু তাপমাত্রা রুগী বা ডায়াবেটিক্স মেলা নামেও পরিচিত হলো এটি গুরুত্বপূর্ণ দীর্ঘ মিয়াদি অবস্থা ঘটেত যখন রক্তের তাপমাত্রা দীর্ঘ সময় ধরে স্বাভাবিক চেয়ে বেশি থাকে কারণ হয় শরীরের যথেষ্ট পরিমাণে বা কোন ইন্সুরেন্স উৎপাদন করে না অথবা উৎপাদিত ইন্সুরেন্স কার্যকর ভাবে ব্যবহার করতে পারেনা,

ডায়াবেটিস এমন একটি ব্যাধি যেটাকে দ্বারা মানুষ অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে ডায়াবেটিস হয় আপনার শরীরে ইন্সুরেন্স তৈরি করতে পারেনা বা কার্যকারিতা ক্ষমতা কমে যায় ডায়বেটিস হওয়ার ফলে একটি লোকের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দিনে দিনে কমিয়ে দেয় ডায়াবেটিসের হওয়ার ফলে হার্ট কিডনি লিভার অনেক কিছুর সমস্যা দেখাতে পারে,
ডায়াবেটিস কেন হয়:
আমরা যে খাদ্য বহন করি তা মূলত কার্বোহাইড্রোজেট বা শতকরা আর এই শতকরা হচ্ছে গ্লুকোজ এর উৎস রক্ত গ্লুকোজ প্রবেশের পরে শুরু হয় ইন্সুরেন্স এর কাজ কারণ আমাদের দৈনন্দিন জীবনে খাদ্যের মধ্যে যদি শতকরা না থাকে বা আমাদের রক্তে পর্যাপ্ত পরিমাণ গ্লুকোজের পরিমাণ না থাকে এগুলো পরিমান যদি দিনে দিনে কমে যায় তাহলে আমাদের শরীরে ডাইবেটিসের করতে পারে,
এক ধরনের হরমোন কে মানুষের দেহে কোষ গুলোতে পৌঁছাতে পৌঁছে দেয় সেই গ্লুকোজ থেকে শক্তি উৎপাদন হয় এখন যদি কোন গ্লুকোজ কর্মদক্ষতা হারিয়ে ফেলে তাহলে রক্তে গ্লুকোজের তাপমাত্রা বেড়ে যায় এবং তার ফলে ডায়াবেটিসের বৃদ্ধি ঘটে,
ডায়াবেটিসের লক্ষণ:
ডায়াবেটিসের লক্ষণ



আমরা ইতিমধ্যে জেনেছি যে ডায়াবেটিস আসলেই একটি মরণব্যাধি এবং এর কারণ হচ্ছে আমাদের শরীরে গ্লুকোজে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলে ডায়াবেটিস আমাদের শরীরে বৃদ্ধি পায় আর এই পর্যায়ে তার জন্য আমাদের অনেক নিয়ম কানুন মেনে চলতে হয় চলেন জেনে নেওয়া যাক ডায়াবেটিসের লক্ষ্য গুলো কি কি সেই সম্পর্কে তা দেরি না করে চলেন জেনে নেই ডায়াবেটিসের রোগের লক্ষণসমূহ
  • ঘন ঘন খুদা লাগা
  • ওজন কমে যাওয়া
  • বার বার প্রসাবে যাওয়া
  • চোখে ঝাপসা দেখা
  • মিষ্টি খাবারের প্রতি আসক্ত সৃষ্টি হওয়া
  • মুখ শুকিয়ে যাওয়া
  • বমি বমি ভাব ও মাঝে মধ্যে মাথা ব্যথা করা
  • অল্পতেই ক্লান্ত হয়ে যাওয়া
ডায়াবেটিস এর প্রকারভেদ:
আমরা উপরের আলোচনা থেকে জেনে নিছি যে ডায়াবেটি স কি এবং ডায়াবেটিস এর লক্ষণ সময় সম্পর্কে এখন আমরা জেনে নিব যে ডায়াবেটিস আসলে কত প্রকার এবং কি কি সেটি সম্পর্কে চলুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক ডায়াবেটিস এর প্রকারভেদ গুলো সম্পর্কে,
টাইপ ওয়ান ডায়াবেটিস এবং
টাইপ টু ডায়াবেটিস
1.টাইপ ওয়ান ডায়াবেটিস: আমাদের শরীরের যখন কোন ইন্সুরেন্স তৈরি না হয় বা করতে পারে না বা আমাদের শরীরে কোন উপকার নতুনভাবে রক্ত সঞ্চালন বা গ্লুকোজের বৃদ্ধি না পাই তখন তাকে টাইপ ওয়ান ডায়াবেটিস বলে


2. টাইপ টু ডায়াবেটিস: অপরদিকে আমাদের শরীরে যখন ইন্সুরেন্স তৈরি হয় না বা হলেও তা সঠিক ভাবে কাজ করতে পারে না এবং আমাদের শরীরে নতুনভাবে যে রক্ত সঞ্চালন তৈরি হয় বা গ্লুকোজ তৈরি হয় কিন্তু সেটি সঠিকভাবে কাজ করে না তখন তাকে টাইপ টু ডায়াবেটিস বলে,
কিভাবে বুঝবেন আপনার ডায়াবেটিস হয়েছে কিনা: ডায়াবেটিস বর্তমান প্রেক্ষাপটে খুবই সাধারণ রোগ হিসেবে পরিচিত হয়েছে উঠেছে মানুষের কাছে কেননা আজকাল প্রত্যেক পরিবারে যেকোনো একজন সদস্যর ডায়াবেটিস রোগ ধরা পড়েছে তাই আজকাল মানুষ ডায়াবেটিস কে নিয়ে বেশি দুশ্চিন্তার করে না কারন এই রোগটি খুবই কমন একটি রোগ হিসেবে পরিচিত পেয়েছে আর এই ডায়াবেটিস এমন একটি রোগ যার মাধ্যমে নির্দিষ্ট কোন অঙ্গ আক্রান্ত হয় না,

ডায়াবেটিসের ফলে মানুষ অনেক রোগে আক্রান্ত হয় কারণ মানুষের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দিনে দিনে কমে যায় তার জন্য তারা অনেক রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকে বরং বিভিন্ন অঙ্গ প্রত্যঙ্গের বিপাক কেয়ার অসুবিধায় সমষ্টি হল ডায়াবেটিস আর এই ডায়াবেটিস যেহেতু নির্দিষ্ট কোন অঙ্গের অসুবিধা নয় তাই খুবই সহজে নির্দিষ্ট কোন লক্ষণও পায় না যাতে করে একজন রোগী ডায়াবেটিস আক্রান্ত হওয়ার সাথে সাথেই টেস্ট ম্যাচ নিতে পারে না,

আপনার ডায়াবেটিস হলে ঘন ঘন পেশাব হতে পারে তবে এটি এই রোগের একমাত্র লক্ষণ নয় অধিকাংশ ক্ষেত্রে ডায়াবেটিস রোগীর লক্ষণ দেখা দেয় সেগুলো সম্পর্কে আমরা উপরে আলোচনা করেছি যে প্রায় অর্ধেক রোগীর ক্ষেত্রে ডায়াবেটিস প্রাথমিক অবস্থা কোন লক্ষনই থাকে না ডায়াবেটিস ধরা পড়েছে বিশেষ করে পরীক্ষার সময় তাদের শরীরে ডায়াবেটিস ধরা পড়ে,

ডাইবেটিস এর স্বাভাবিক তাপমাত্রা কত:
আপনাদের কারো শরীরে যদি সাধারণত রেনডম ব্লাড সুগারের ১১ মিলির এর বেশি হয় তাহলে ধরে নিতে পারেন আপনার শরীরে ডায়াবেটিস আছে ফাস্টিং ব্লাড সুগারে সেভেন এর মি মো লি এর বেশি হলে ধরে নিতে পারেন আপনার শরীরে ডায়াবেটিক আছে

এছাড়া আপনি যদি ইকুয়েট ফলাফল পেতে চান তাহলে সকালে খালি পেটে মাপলে যদি এর কম হয় তাহলে ধরে নিতে পারেন আপনার ডায়াবেটিস নেই আর যদি ফাইভ পয়েন্ট সিক্স থেকে সিক্স পয়েন্ট নাইন মি লি এর মধ্যে হয় তাহলে তাহলে ধরে নিবেন আপনার পিডি ডিসি,
ডায়াবেটিস কমানোর উপায়:
আমরা দিনে দিনে নিজেকে শারীরিক পরিশ্রমগুলো থেকে গুটিয়ে নিয়েছি আজকাল আমরা কোন কাজ দেখলেই অনেক ভয় ভীত হয় কারণ আমরা পরিশ্রম করাটা ছেড়ে দিয়েছি ভুলে গেছি এবং অনেক আরাম আয়েশের মধ্যে জীবন যাপন করতে স্বাচ্ছন্ন বোধ করি আমাদের শরীরের দেখা দেয় বিভিন্ন প্রকারের রোগ বালাই তাই আমাদের শরীরকে ঠিক রাখতে হলে প্রাথমিকভাবে নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে,

নিয়মিত ব্যায়ামের ফলে আমরা একটা মাঝারি ওজন পেতে পারি এবং আমাদের সুগার নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারে দুটো হাঁটাচলা বা দৌড়ানো বা নাচ হাইকিং বাইক চালানো এবং ইত্যাদি থেকে ব্যায়ামগুলোর মাধ্যমে করতে পারে সেরা ব্যয়ামগুলোর মধ্যে একটি সহজ ব্যায়াম হচ্ছে হাঁটাহাঁটি করা কারণ হাঁটাহাঁটির মাধ্যমে আমাদের ডায়াবেটিস টাকে কন্ট্রোল রাখতে পারি প্রতিদিন কমপক্ষে ৩০-৪০ মিনিট হাটাহাটি করলে ইন্সুরেন্সের মাত্রা কে নিয়ন্ত্রণ করে রাখে ডায়াবেটিস ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে.
ডায়াবেটিস কমানোর উপায় নিয়ে শেষ কথা:
আপনারা যারা আমাদের এই পোষ্টটি সম্পূর্ণ মনোযোগ সহকারে পড়ছেন আশা করি তারা ডায়বেটিস কমানোর উপায় বা ডায়াবেটিস কমানোর প্রকৃত উপায়গুলা সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে গেছেন আপনারা আমাদের এই পোষ্টের মাধ্যমে প্রকৃত হয়ে থাকলে এ পোস্টটি আপনার বন্ধুদের বা কাছের মানুষজনের সাথে শেয়ার করতে পারেন

আপনার একটা শেয়ারের মাধ্যমে অনেক একটি বিষয় সম্পূর্ণ জানতে পারে এবং আপনার শেয়ারের মাধ্যমে আপনার এই পোস্টটি শেয়ারের মাধ্যমে অনেকে ডায়াবেটিস সম্পর্কে জানতে পারবে এবং উপরে দেওয়ার নিয়ম গুলো সম্পর্কে জানতে পারবে নিজের ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ রাখতে সক্ষম হবেন আপনি চাইলে আমাদের ওয়েবসাইটে অফিশিয়াল ফেসবুক পেজ টুইটার দিয়ে সাথে থাকতে পারেন.

অন্যদের সাথে শেয়ার করুন

0 Comments

দয়া করে নীতিমালা মেনে মন্তব্য করুন ??

নটিফিকেশন ও নোটিশ এরিয়া